একটা প্রশ্ন, পৃথিবীতে ছেড়ে দেওয়া।
শুরুটা একটা কার্ড দিয়ে
অ্যাপ নয়, ফিড নয়। হাতে ধরার মতো ছোট্ট একটা কার্ড। প্রতিটা কার্ড জন্মায় স্রষ্টার বেছে নেওয়া দুটো জিনিস নিয়ে: একটা প্রশ্ন, যা সে প্রত্যেক ধারককে করে, আর একটা গন্তব্য, যেখানে সে পৌঁছতে চায়।
সে কীভাবে ভ্রমণ করে
যার কাছে কার্ড, সে স্ক্যান করে, সব উত্তর পড়ে, নিজেরটা যোগ করে, তারপর কোনো অচেনাকে দিয়ে দেয়। বিমানবন্দরে, ট্রেনে, ক্যাফেতে। চিপ নেই, GPS নেই। মানুষের বিশ্বাস যত দ্রুত, কার্ডও তত দ্রুত।
সবাই গল্পে থেকে যায়
নিজের অধ্যায়ের সাথে ইমেইল রেখে যাও, কার্ড তোমাকে জানাবে: নতুন শহরে জাগলে, নতুন উত্তর এলে, আর অবশেষে পৌঁছালে।
যাওয়া আর ফেরা
গন্তব্যে পৌঁছানো অর্ধেক পথ মাত্র। সেখানে কেউ কার্ডের ছবি তোলে, তারপর সে ঘুরে দাঁড়ায়: যে তাকে ছেড়েছিল, তার কাছে ফিরতে হবে। ফিরলে গল্পটা সিল হয়ে যায়, স্রষ্টা কার্ডটা রেখে দেয়, আর ভাগ্য ভালো হলে পৃথিবী তার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। প্রতিটা কার্ড হয়ে ওঠে শেষওয়ালা একটা গল্প।
“Dunio” কেন?
দুনিয়া থেকে: আরবি, হিন্দি, সোয়াহিলি, ইন্দোনেশীয় আর তুর্কিতে পৃথিবী শব্দটা। একশো কোটি অচেনা মানুষ আগে থেকেই যে-কটা শব্দ ভাগ করে নেয়, তার একটা।
প্রথম সিজন শুরু ডেন হাগে।